BdNewsEveryDay.com
Monday, August 20, 2018

শিক্ষার্থীদের নিরাপদ সড়ক আন্দোলন

Friday, August 10, 2018 - 240 hours ago

শিক্ষার্থীদের নিরাপদ সড়ক আন্দোলন গোড়ায় গলদ রেখে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে না। কারণ সারা দেশের ২০ লাখ চালকের মধ্যে ৯ লাখই ভুয়া। ভুয়া অদক্ষ চালক দিয়ে কীভাবে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে সেটাই আমাদের বড় প্রশ্ন। নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য রাজধানীসহ সারা দেশে ভিড় করছে গাড়িচালকরা। গাড়ির ফিটনেসের জন্য এক মাস সময় চেয়েছেন মালিকরা। এই দুটো ঘটনার দ্বারা এটাই প্রমাণিত ও প্রতিষ্ঠিত হয়, গোড়ায় গলদ ছিল। আর এই গলদের কারণেই রাজপথে অকালে প্রাণ দিতে হয়েছে অনেককেই। সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারকেই কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিশু ও ছাত্রদের নেতৃত্বে আন্দোলন পুরো বাংলাদেশকে ঐক্যবদ্ধ করেছে, বাংলাদেশ জেগে উঠেছে। এই জাগরণ ইতিবাচক। এই জাগরণ অশুভের বিরুদ্ধে শুভের, বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে শৃঙ্খলার। মনুষ্যসৃষ্ট মৃত্যুর বিপরীতে জীবনের জয়গান। দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যেভাবে রাজপথে নেমে এসেছে, তা অভূতপূর্ব। এই আন্দোলন আলোকের ঝরনা ধারা, নতুন এক বাংলাদেশ। মূলত গণপরিবহনে যে নৈরাজ্য বিরাজ করছিল, কিশোর ছাত্ররা গত কদিন ধরে তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। তারা এটাও দেখিয়েছে, রাস্তায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব এবং এটা নির্ভর করে যদি আইনের যথাযোগ্য প্রয়োগ ঘটে। এই সরল কথাটা রাষ্ট্রের নীতি-নিধার্রকরা পযর্ন্ত অকপটে স্বীকার করেছেন। শিক্ষার্থীরা বাস, পিকআপ ভ্যান থামিয়ে গাড়ির আর ড্রাইভারের লাইসেন্স আছে কিনা তা পরীক্ষা করেছে এবং উল্টোপথ দিয়ে মন্ত্রীর গাড়ি চলার সময় আটকে দিয়েছে। যা কোনোদিন ট্রাফিক পুলিশ করতে সাহস পেত না, আমাদের শিক্ষার্থীরা করে দেখিয়েছে। তারা যানবাহনকে সারিবদ্ধভাবে চলতে বাধ্য করেছে। পুলিশ-প্রশাসন কেউই বাদ যায়নি। যাদের লাইসেন্স কিংবা কাগজপত্র ঠিক নেই তাদের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা মামলা করাতে বাধ্য করেছে। এরপরও যদি পরিবহন ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন না ঘটে তা হলে সেটা হবে জাতির জন্য দুর্ভাগ্যজনক। এ কথা ভুলে গেলে চলবে না যে, গত সাড়ে তিন বছরে সারা দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে ২৫ হাজার ১২০ জন। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে মারা গেছে ২০ জন। এই সময়ে আহত হয়েছে ৬২ হাজার ৪৮২ জন। গত ১৫ বছরে সড়ক পথে ৫৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ৭০ হাজার মামলাও হয়েছে বিভিন্ন দুর্ঘটনায়। অন্যদিকে রাজধানীতে বছরে ১৩৫ জনের প্রাণহানি ঘটছে সড়ক দুর্ঘটনায়। ৩ বছরে ৬ জন সাংবাদিক প্রাণ হারিয়েছেন রাজধানীতে। এসব দুর্ঘটনা ৯০ শতাংশ ঘটেছে চালকের বেপরোয়া মনোভাব ও অতিরিক্ত গতির কারণে। এসব দুর্ঘটনায় হতাহত বেশিরভাগ ব্যক্তিই শিশু, তরুণ ও কর্মক্ষম ব্যক্তি। এদের দুই শ্রেণিকে দেশের ভবিষ্যৎ ও অথর্নীতির চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সড়ক দুর্ঘটনায় বছরে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ৪০ হাজার কোটি টাকা, যা জাতীয় বাজেটের একটি বড় অংশ। জাতিসংঘ উন্নত সড়ক নিরাপত্তার জন্য দীর্ঘদিন বিশ্বব্যাপী প্রচারণা চালাচ্ছে। বিশেষ করে বাংলাদেশে তরুণ মৃত্যুর একটি বড় কারণ সড়ক দুর্ঘটনা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বাংলাদেশে প্রতি বছর সড়ক দুর্ঘটনায় ২০ হাজার মানুষ মারা যায়। গোড়ায় গলদ রেখে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে না। কারণ সারা দেশের ২০ লাখ চালকের মধ্যে ৯ লাখই ভুয়া। ভুয়া অদক্ষ চালক দিয়ে কীভাবে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে সেটাই আমাদের বড় প্রশ্ন। নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষাথীের্দর আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য রাজধানীসহ সারা দেশে ভিড় করছে গাড়িচালকরা। গাড়ির ফিটনেসের জন্য এক মাস সময় চেয়েছেন মালিকরা। এই দুটো ঘটনার দ্বারা এটাই প্রমাণিত ও প্রতিষ্ঠিত হয়, গোড়ায় গলদ ছিল। আর এই গলদের কারণেই রাজপথে অকালে প্রাণ দিতে হয়েছে অনেককেই। সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারকেই কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। আশার কথা যে, সম্প্রতি সরকার আইনসংস্কারসহ নিরাপদ সড়কের জন্য নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। দুর্ঘটনায় প্রাণহানির সর্বোচ্চ সাজা ৫ বছর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ। যদিও প্রস্তাবিত সড়ক পরিবহন আইনে সড়ক দুর্ঘটনায় দায়ীদের সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান অন্তর্ভুক্তির দাবি জানিয়েছিল বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, বেপরোয়াভাবে বা অবহেলা করে গাড়ি চালানোর কারণে দুঘর্টনায় কেউ গুরুতর আহত বা কারো মৃত্যু হলে চালককে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদ- বা অর্থদ- বা উভয় দ- দেয়া হবে। তবে তদন্তে যদি দেখা যায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে চালক বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে হত্যাকা- ঘটিয়েছেন, তাহলে দ-বিধির ৩০২ ধারা অনুযায়ী শাস্তি দেয়া হবে। অর্থাৎ সাজা হবে মৃত্যুদ-। এক্ষেত্রে তদন্ত সাপেক্ষে এবং তথ্যের ওপর ভিত্তি করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ধারা নির্ধারণ করবে। উল্লেখ্য, ফৌজদারি দ-বিধিতে সড়কে মৃত্যুর ক্ষেত্রে তিন রকমের বিধান আছে। ওই ঘটনা নরহত্যা হলে ৩০২ ধারা অনুযায়ী মৃত্যুদ-, মৃত্যুর বিষয় না হয়ে থাকলে ৩০৪ ধারা অনুযায়ী যাবজ্জীবন কারাদ- এবং বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে মৃত্যু ঘটালে ৩০৪ (বি) ধারা অনুযায়ী তিন বছরের কারাদ-ের বিধান রয়েছে। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনায় কেউ নিহত হলে সচরাচর ৩০৪(খ) ধারায় মামলা হয় এবং ওই ধারায় মাত্র তিন বছরের জেল হওয়ার কারণে চালকদের বেপরোয়া মনোভাব এবং সড়কে মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। এর মধ্যেই সড়ক দুর্ঘটনায় তারেক মাসুদ ও মিশুক মুনীরসহ পাঁচজন নিহতের ঘটনায় গত বছর ৩০৪ ধারায় বাসচালকের যাবজ্জীবন এবং ট্রাকচাপায় এক নারীর মৃত্যুর ঘটনাকে নরহত্যা বিবেচনা করে ৩০২ ধারায় চালকের মৃত্যুদ-ের রায়ের পর ধর্মঘটে দেশ অচল করে পুলিশের সঙ্গে সংঘাতে জড়ায় পরিবহন শ্রমিকরা। এখানে ভয়ঙ্কর ব্যাপার হচ্ছে শ্রমিকরা সবসময়ে বেপরোয়া এবং তারা তাদের অপরাধ স্বীকার করতে চায় না। তাদের ভেতর কোনো রকম অনুশোচনাও নেই। নিরাপদ সড়কের দাবিতে বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের খবর উঠে এসেছে বিবিসি, সিএনএন, আল জাজিরা চ্যানেল এবং নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট, দ্য গার্ডিয়ানসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিপেটা ও কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপের খবরও এসব সংবাদমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত হয়েছে। বলা হচ্ছে, নিরাপদ সড়কের দাবিতে পুরো ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন অংশ অচল করে দিয়েছে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতে কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও দুর্বল শাসনব্যবস্থার কারণেই শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করছে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় শিক্ষার্থীদের নিরাপদ সড়ক ও বাসের চাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহতের বিচার দাবিতে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে বিবৃতি দিয়েছে জাতিসংঘ। নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনে আক্রান্ত হয়েছেন সংবাদকর্মীরা। এই নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সম্পাদক পরিষদ। শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলনকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে একটি মহল সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে তৃতীয় পক্ষ নেমে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিএনপি-জামায়াতের প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীরা কয়েকটি আন্দোলন করেছে। তাদের ইচ্ছামতো যা যা করার করছেÑ আমরা তা মেনে নিয়েছি। কোনো বাধা দিইনি। কিন্তু ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে আমি এখন শঙ্কিত। তাদের আন্দোলনে তৃতীয় পক্ষ ঢুকে গেছে। যারা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মানুষ হত্যা করতে পারে। বাসে আগুন দিয়ে মানুষ মারতে পারে। তারা শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে নেমে এলে কিনা করতে পারে? যে কোনো ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে। আমি শিক্ষার্থীদের বলব যথেষ্ট হয়েছে আর নয়, ঘরের ছেলেমেয়ে ঘরে ফিরে যাবে। লেখাপড়া করবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানে সাড়া দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছেÑ তাদের দাবি পূরণ হবে কি? নিশ্চিত হবে কি সড়ক নিরাপত্তা? এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, বাসের চালক, হেলপার, কন্ডাক্টর মিলে দীর্ঘদিন থেকে রোমহর্ষক অপরাধ করেই যাচ্ছে কোনো রকম প্রতিকারহীনভাবে। তারা কখনো চলন্ত বাসে নারীকে যৌন নিপীড়ন করছে, না হয় গণধর্ষণ করে হত্যা করছে অত্যন্ত নিষ্ঠুর কায়দায়। সম্প্রতি রূপা ধর্ষণ ও হত্যা তার বড় প্রমাণ। এ পর্যন্ত চলন্ত বাসে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে বেশ কয়েকটি। যদিও রূপা হত্যায় অপরাধীদের শাস্তি হয়েছে। এসব ঘটনার রেশ না কাটতেই ঘটল ভয়ঙ্কর দুটো ঘটনা। রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের ওপর বাস উঠে গেল। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র পায়েলকে বাস থেকে ফেলে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়। বাসচালকের খামখেয়ালিপনা, প্রতিযোগিতাপূর্ণ অসুস্থ মনোভাব এবং নিয়ম না মেনে গাড়ি চালানোর কারণেই অধিকাংশ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে। বিমানবন্দর সড়কেও তেমনটি ঘটেছে। বাসের চালক কন্ডাক্টর হেলপারদের স্বেচ্ছাচারিতার কারণে আর কত মায়ের বুক খালি হবে, আর কতজনের স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হবে সেটাই আমাদের বড় প্রশ্ন। রাস্তার পাশে বাস-ট্রাক উঠিয়ে নির্বিচারে মানুষ হত্যা বন্ধ করতে হবে। বন্ধ করতে হবে দুই বাসের অসুস্থ প্রতিযোগিতা। একের পর এক ঘটনা ঘটছে অথচ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দায় স্বীকার করছেন না, এটাই জাতির দুর্ভাগ্য। অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অধিকাংশ দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে কোনো মামলা হয় না। আবার মামলা হলেও নিষ্পত্তি হতে দীর্ঘসময় লাগে। ফলে ভুক্তভোগীরা হতাশ হয়ে পড়েন। অন্যদিকে আইনের সঠিক বাস্তবায়ন না থাকায় অপরাধীরা অপরাধ সংঘটনের ক্ষেত্রে কোনো শঙ্কাবোধও করেন না। এ কারণে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে এসব অপরাধ। চালকদের খামখেয়ালিতে আগামীর স্বপ্নগুলোর এভাবে অপমৃত্যু ঘটবে, তা কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না। আমরা চাই, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে যে কোনো ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধে এবং চালকদের দক্ষতা বাড়াতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি দায়ীদের শাস্তি নিশ্চিত ও ক্ষতিপূরণ আদায় করতে হবে। এসব দুর্ঘটনার জন্য দায়ী মূলত অবৈধ চালক ও চালকের অসতর্কতা, ফিটনেসবিহীন যানবাহন ও সড়ক-মহাসড়কের ভঙ্গুর অবস্থা। সারা বছর যেন পথের যাত্রীরা নিরাপদ থাকেন, এ জন্য প্রকৃত অর্থেই সরকার তথা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ নেয়া উচিত। নিরাপদ সড়ক আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবিও তাই। আমাদের প্রত্যাশাও তাই। সড়ক দুঘর্টনায় মৃত্যুর হার কমাতে হলে দোষীদের তাৎক্ষণিক শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনগণকেও সড়কপথে ভ্রমণ ও রাস্তা পারাপারের ক্ষেত্রে আরো সচেতন হতে হবে। পাশাপাশি দক্ষ ও শিক্ষিত চালকের সংখ্যা বাড়াতে হবে। পরিকল্পিত ও সফল উদ্যোগই কেবল পারে এমন মর্মান্তিক মৃত্যু রোধ করতে। নিরাপদ সড়ক আন্দোলন সফল হোক। লেখক : কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট


bdnewseveryday.com © 2017 - 2018