BdNewsEveryDay.com
Sunday, July 22, 2018

ইন্টারনেটের দাম কমছে না বরং বাড়ছে

Wednesday, July 11, 2018 - 271 hours ago

ইন্টারনেটের দাম কমছে না বরং বাড়ছে * অপারেটররা ইন্টারনেটের ওপর থেকে ভ্যাট কমাতে চায় না, * ইন্টারনেটের দাম কমানোর বিষয়ে জানতে চেয়েছে বিটিআরিসি, * ইন্টারনেটে ভ্যাট না কমালে ব্যবস্থা : অর্থমন্ত্রী, * ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ার শঙ্কা। ইন্টারনেটের দাম কমাতে সরকার উদ্যোগ নিলেও অপারেটরগুলোর অসৎ ফন্দি ফিকিরে তা আরো বেড়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ভ্যাট জটিলতার কারণে এধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, সংসদে বাজেট পাসের দিন ইন্টারনেটের ওপর আরোপিত ভ্যাট ১৫ থেকে ১০ শতাংশ কমিয়ে ৫ করা হয়। এই সংবাদে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা আশান্বিত হলেও দুঃসংবাদ শোনালেন ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (আইএসপি) ও মোবাইলফোন অপারেটররা। ইন্টারনেট ব্যবসায়ীরা বলেন, গ্রাহকের ভ্যাট ৫ শতাংশ করা হলেও আইএসপিগুলোর ওপর এনটিটিএন সেবার ১৫ শতাংশ এবং আইআইজির ওপর ৫ শতাংশ ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর) আরোপ করা হয়েছে। এই জটিলতার কারণে ইন্টারনেট ব্যবসায়ীরা ইন্টারনেটের দাম বাড়ানোর কথা শোনালেন। তারা বললেন, এখন যে দামে ইন্টারনেট বিক্রি হচ্ছে, জটিলতা দূর না হলে ইন্টারনেটের দাম অন্তত ২০ শতাংশ বেড়ে যাবে। এর আগে কয়েকদফা ব্যান্ডউইথের দাম কমালেও তা গ্রাহক পর্যায়ে পৌঁছেনি। এবারও তার পুনরাবৃত্তি হবে বলে মনে করছেন তারা। বিএসসিসিএল সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালে প্রতি মেগা ব্যান্ডউইথ বিক্রি হতো ৭২ হাজার টাকায়, ২০০৯ সালে ১২ হাজার টাকা, ২০১১ সালে ১০ হাজার টাকা, ২০১২ সালে ৮ হাজার টাকা এবং বর্তমানে ৬২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত ১০ বছরে প্রতি মেগা ব্যান্ডইউথে দাম কমেছে ৭১ হাজার ৩৭৫ টাকা। তবে ব্যান্ডউইথের এই মূল্য কমানোর সাথে সাথে ইন্টারনেটের মূল্য কমানো কিংবা উন্নতমানের সেবা দেবার ক্ষেত্রে ততটা অগ্রগতি লক্ষ্য করা যায়নি। সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে ব্যান্ডউইথের দামের সঙ্গে ইন্টারনেটের দাম কমার সম্পর্ক খুবই কম। কারণ ব্যান্ডউইথ কিনতে তাদের যে টাকা খরচ হয় তা ইন্টারনেট সেবাদানের মোট খরচের মাত্র ৫ থেকে ৮ শতাংশ। ফলে ব্যান্ডউইথ ফ্রি করে দিলেও তা ইন্টারনেটের দামের ওপর খুব একটা প্রভাব ফেলবে না। ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ আমদানি করতে অন্তত ১৬টি পক্ষ জড়িত থাকে। এদের মধ্যে রয়েছে- ইন্টারনেট ট্রানজিট (আইপি ক্লাউড), বিদেশি ডাটা সেন্টারের ভাড়া, দেশি-বিদেশি ব্যাকহল চার্জ, ল্যান্ডিং স্টেশন ভাড়া, কেন্দ্রীয় সার্ভারের পরিবহন খরচ, গেইটওয়ে ভাড়া, আইএসপি প্রতিষ্ঠানের মুনাফা, এনটিটিএন প্রতিষ্ঠানের নেটওয়ার্ক ভাড়া, ইন্টারনেট যন্ত্রাংশের ওপর জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ধার্য করা ভ্যাট ও শুল্ক, বিটিআরসির রাজস্ব ভাগাভাগি ইত্যাদি। শুধু ব্যান্ডউইথ নয়, এসব পক্ষগুলোর সেবাচার্জ আনুপাতিক হারে কমালেই কেবল ইন্টারনেটের দাম বর্তমানের চেয়ে আরও কমানো সম্ভব বলে তারা জানান। সূত্রমতে, এনটিটিএন (ভূগর্ভস্থ ক্যাবল সেবা) প্রতিষ্ঠানগুলোর সেবার ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট ধার্য আগে থেকেই ছিল। আর আইআইজির (ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে) সেবার ওপর ছিল ১৫ শতাংশ ভ্যাট। এই দুটো ভ্যাটই ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো ‘রিবেট’ পেত। এবারের বাজেটে ‘রিবেট’ সুবিধা বাতিল করে এনটিটিএন সেবার ওপর ১৫ শতাংশ এবং আইআইজির ওপর ৫ শতাংশ ভ্যাট ধার্য করা হয়েছে। ফলে ইন্টারনেট সেবাদাতাদের কাঁচামাল (ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ) ক্রয় ও পরিবহনের খরচ বেড়ে যাবে। আর স্বাভাবিকভাবেই ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো ইন্টারনেটের দাম বাড়িয়ে গ্রাহকদের কাছে বিক্রি করবে। তখন এই বেশি দামের ইন্টারনেট গ্রাহক মাত্র ১০ শতাংশ ভ্যাট কম দিয়ে ক্রয় করবেন। জানা গেছে, ইন্টারনেটের ভ্যাট ১০ শতাংশ কমে যাওয়ায় কিছু কিছু আইএসপি এরই মধ্যে ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট নিচ্ছে গ্রাহকের কাছ থেকে। অন্যদিকে, মোবাইলফোন অপারেটররা ইন্টারনেট প্যাকেজ বিক্রির ওপর এখনো ১৫ শতাংশই ভ্যাট নিচ্ছে। এ ক্ষেত্রে অ্যামটবের (মোবাইলফোন অপারেটরগুলোর সংগঠন) যুক্তি হলো, ভ্যাট বিষয়ে এনবিআর যে এসআরো জারি করেছে সেখানে সুনির্দিষ্ট কোড উল্লেখ না করায় অপারেটররা ইন্টারনেটের ভ্যাট ১৫ শতাংশই রাখছে। ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন আইএসপিএবির সভাপতি আমিনুল হাকিম বলেন, ‘কস্ট অব প্রোডাক্ট’ বেড়ে গেলে তা কমদামে বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। ফলে আমাদের ইন্টারেনেটের দাম বাড়িয়েই বিক্রি করতে হবে। এনটিটিএন ও আইআইজির ভ্যাটের কারণে আমাদের (ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের) ইন্টারনেট কিনতে খরচ বেড়ে যাবে। তবে গ্রাহকের ইন্টারনেট ক্রয়ে ১৫-এর জায়গায় ৫ শতাংশ অর্থ ভ্যাট বাবদ খরচ হবে। তিনি আরো বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয় ও এনবিআর (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড) এই সমস্যার সমাধান না করলে অচিরেই দাম বাড়বে ইন্টারনেটের। এতে আমাদের কোনো দায় থাকবে না। সংশ্লিষ্ট সূত্র আরো জানায়-এ সংক্রান্ত যে এসআরো জারি করা হয়েছে সেখানে ইন্টারনেট সংস্থার ‘এস ০১২’ সার্ভিস কোডের আওতায় ‘এস ১২.১৪’ কোডের জন্যই শুধু এই নির্দেশনা কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে যা শুধু আইএসপিগুলোর ক্ষেত্রে কার্যকর। অ্যামটবের দাবি, মোবাইল অপারেটরগুলোর এসংক্রান্ত কোড হলো ‘এস ১২.১০।’ এই অবস্থায় মোবাইল অপারেটররা ইন্টারনেটের ওপর ভ্যাট কমানোর এই নির্দেশনা কিভাবে পালন করবে। বিষয়টির সুরাহা না হওয়ায় মোবাইল অপারেটররা মোবাইলফোন ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে ইন্টারনেট ক্রয়ের সময় ১৫ শতাংশই ভ্যাট রাখছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আগামী রোববার এনবিআর-এর সঙ্গে মোবাইলফোন অপারেটর, আইএসপিসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো  বৈঠকে বসবে। ওই বৈঠকে ভ্যাট আইন বিশেষজ্ঞরাও থাকবেন। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, ওই বৈঠকে ইন্টারনেটের ওপর আরোপিত বিষয়গুলোর সুরাহা হবে। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, সরকার চাইলেও মোবাইলফোন অপারেটররা কোনোভাবেই চায় না ইন্টারনেটের ওপর থেকে ভ্যাট কমুক। এই ভ্যাটের টাকা দিয়ে তারা অনেক কিছু করে। যেহেতু এনবিআর একটি এসআরো জারি করেছে এবং তাতে কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়েছে। আর এই সুযোগটাই নিয়েছে মোবাইল অপারেটররা। মন্ত্রী বলেন, আমি মনে করি পরিকল্পিতভাবে এই জটিলতা তৈরি করা হয়েছে। মোস্তাফা জব্বার বলেন, আইএসপির ইন্টারনেটে যে এই জটিলতা রয়েছে তা আমার দৃষ্টিতে কেউ আনেনি। আমি জানতে পেরে আইএসপিএবিকে বলেছি, বিষয়টি লিখিতভাবে জানাতে। লিখিত পেলে আমি অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বসে এনটিটিএন-এর ১৫ শতাংশ ভ্যাট ও আইআইজির ৫ শতাংশ ভ্যাট নিয়ে কথা বলে বিষয়টি সুরাহার চেষ্টা করব। ইন্টারনেটের দাম কমাতে মন্ত্রী অপারেটরদের আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর ধার্যকৃত ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর) কমানো হয়েছে। এটি ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। ফলে ১ জুলাই থেকে গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেট খরচ কমার কথা। কিন্তু কোনো অপারেটর এটি বাস্তবায়ন করেনি। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, অপারেটরা এটি বাস্তবায়ন না করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। বুধবার (১১ জুলাই) অর্থমন্ত্রণালয়ে তিনি এ কথা বলেন। চলতি বাজেটে ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর ধার্যকৃত ভ্যাট কমানো হয়েছে। এটি ১০ শতাংশ কমানোর ফলে ১০০ টাকায় যে ১৫ টাকা ভ্যাট দিতে হতো গ্রাহককে, চলতি মাস থেকে তা ৫ টাকা দিতে হবে। কিন্তু মোবাইল অপারেটরসহ ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো তা বাস্তবায়ন করেনি। এ ব্যাপারে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাস্তবায়ন না করলে তাদের (মোবাইল অপারেটর ও ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান) বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়া হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে। গতি বাড়লেও ব্রডব্যান্ড সেবায় পিছিয়েছে বাংলাদেশ বৈশ্বিক ব্রডব্যান্ড সেবা নিয়ে পরিচালিত এক গবেষণায় জানা গেছে- ব্রডব্যান্ড সেবায় গত বছরের চেয়ে ৪ ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ। গবেষণা ফলাফলের ভিত্তিতে করা ‘ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ব্রডব্যান্ড স্পিড লিগ ২০১৮’ তালিকায় ১৪৮ নম্বরে অবস্থান করছে বাংলাদেশ। বিশ্বের ২০০টি দেশে এই গবেষণা পরিচালনা করা হয়। যেখানে ১৬ কোটি ৩০ লাখ ব্রডব্যান্ড সংযোগের গতি পরীক্ষা ও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। গবেষণা ফলাফল বলছে, গতির ভিত্তিতে বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে ভালো ব্রডব্যান্ড সেবা সিঙ্গাপুরে এবং সবচেয়ে খারাপ সেবা ইয়েমেনে। এ বছর  বৈশ্বিকভাবে ব্রডব্যান্ডের গড় গতি ৭ দশমিক ৪ এমবিপিএস থেকে ৯ দশমিক ১ এমবিপিএসে পৌঁছে। তালিকায় শীর্ষে থাকা সিঙ্গাপুরে ব্রডব্যান্ড সেবার গড় গতি ৬০ এমবিপিএস। আর সর্বনিম্ন অবস্থানে থাকা ইয়েমেনে গড় গতি শূন্য দশমিক ৩ এমবিপিএস। বাংলাদেশে এই গতির পরিমাণ ১ দশমিক ৯৭ এমবিপিএস। যা গত বছর ছিল ১ দশমিক ৩৪ এমবিপিএস। অর্থাৎ এবার গতি বাড়লেও তালিকায় পিছিয়েছে বাংলাদেশ। বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই গবেষণার জন্য তথ্য সংগ্রহ করেছে এম-ল্যাব। এটা গুগল ওপেন সোর্স রিসার্চ এবং প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির প্ল্যান্টল্যাবের সমন্বয়ে গঠিত একটি প্রতিষ্ঠান। আর গবেষণা থেকে ফলাফল তৈরির কাজটি করেছে ক্যাবল নামের যুক্তরাজ্যের একটি ব্রডব্যান্ড কম্পারিজন সাইট। বর্তমানে বিশ্বে সবচেয়ে দ্রুতগতির ব্রডব্যান্ড সেবা প্রদানকারী শীর্ষ কয়েকটি দেশ হলো-সিঙ্গাপুর, সুইডেন, ডেনমার্ক, নরওয়ে, রোমানিয়া, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস ও লুক্সেমবার্গ। অন্যদিকে সবচেয়ে কম গতির শীর্ষ কয়েকটি দেশ হলো- ইয়েমেন, পূর্ব তিমুর, তুর্কেমেনিস্তান ও সোমালিয়া। ইন্টারনেটের দাম কমানোর বিষয়ে জানতে চেয়েছে বিটিআরিসি মোবাইলফোন অপারেটর এবং আইএসপিগুলোর কাছ থেকে ইন্টানেটের দাম কমানোর বিষয়টি কার্যকর হয়েছে কি না জানতে চেয়েছে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি)। গত ৬ জুলাইয়ের মধ্যে গ্রাহকের ইন্টারনেট সেবার ওই সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাওয়া হয়েছে ই-মেইলের মাধ্যমে। কিন্তু এখনো কোনো অগ্রগতির খবর মেলেনি। সংশ্লিষ্টিরা জানিয়েছেন ভ্যাট কমিয়ে পাঁচ শতাংশ করার পর ইন্টারনেট সেবাদাতারা এখনো তা কার্যকর করেনি- এমনটি আঁচ করতে পেরে মেইল পাঠায় বিটিআরসি। মেইলে আরো জানতে চাওয়া হয়েছে, দাম কমালেও কতটুকু কমিয়েছে তা জানতে চেয়েছে বিটিআরসি। বুধবার (১১ জুলাই) বিটিআরসি মোবাইলফোন অপারেটর এবং আইএসপিগুলোকে মেইল করে সরকার ভ্যাট ১৫ শতাংশ হতে ৫ শতাংশ করার কথা জানিয়েছে। এর ফলে ইন্টারনেটের দাম স্বাভাবিকভাবেই কমে আসার কথা। তাই দাম কমানোর পর ইন্টারনেটের নতুন ট্যারিফ প্লান কমিশনকে ৩ দিনের মধ্যে জানাতে নির্দেশনা দেয়া হলো- বলা হয়েছে বিটিআরসির ওই মেইলে। প্রসঙ্গত, ইন্টারনেট থেকে ভ্যাট, শুল্ক ও সারচার্জ বাবদ গ্রাহকের খরচ হয় ২১ দশমিক ৭৫ শতাংশ অর্থ। এর মধ্যে ভ্যাট ১৫ শতাংশ। এসব থেকে সরকারের বছরে আয় হয় এক হাজার ১০০ কোটি টাকা। ২০১৮-১৯ অথর্বছরের বাজেটে এটি কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে।


bdnewseveryday.com © 2017 - 2018