BdNewsEveryDay.com
Monday, April 23, 2018

জাপানি বন্দরের আদলে হবে মাতারবাড়ি সমুদ্রবন্দর

Monday, April 16, 2018 - 173 hours ago

চট্টগ্রাম: আগামী ২০২৩ সালে কক্সবাজারের মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দরটি চালুর আশাবাদ জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। জাপানের কাশিমা ও নিগাতা (পূর্ব) বন্দরের আদলে মাতারবাড়ি সমুদ্রবন্দর নির্মিত হবে।  

সোমবার (১৬ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বন্দরের প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘ওয়ার্কশপ অন জাইকা প্রিপারেটরি সার্ভে অন মাতারবাড়ি পোর্ট ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক কর্মশালায় এসব তথ্য জানানো হয়।  

বন্দরটি সমুদ্রের কিনারায় না করে চ্যানেল (জাহাজ চলাচলের পথ) তৈরির মাধ্যমে বন্দরকে সমুদ্রের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে। একই সঙ্গে চ্যানেলে যাতে পলি জমতে না পারে সেজন্য পানির প্রবাহ রোধ করা হবে।

কর্মশালায় জাইকা সার্ভে টিমের পাঁচ সদস্য পাঁচটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। কর্মশালায় উদ্বোধনী বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান কমডোর জুলফিকার আজিজ।

চট্টগ্রাম বন্দরের সদস্য (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) মো. জাফর আলম মাতারবাড়ি সমুদ্রবন্দরের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, প্রাথমিক অবস্থায় একটি মাল্টিপারপাস এবং একটি কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে। টার্মিনালে ৩২০ থেকে ৩৫০ মিটার দীর্ঘ এবং ১৬ মিটার ড্রাফটের (জাহাজের পানির নিচের অংশ) ২০ ফুট দীর্ঘ (টিইইউ’স) ৮ হাজার কনটেইনারবাহী জাহাজ ভিড়তে পারবে। চট্টগ্রাম বন্দরে বর্তমানে ১৯০ মিটার দীর্ঘ এবং সাড়ে ৯ মিটার ড্রাফটের জাহাজ ভিড়তে পারে। এসব জাহাজে সর্বোচ্চ ২০ ফুট দীর্ঘ ২৫০০ থেকে ২৮০০ কনটেইনার পরিবহন করা যায়।  

জোয়ার-ভাটা নির্ভর চট্টগ্রাম বন্দরের জেটিতে বর্তমানে খোলা পণ্যবাহী মাদার ভ্যাসেল (বড় জাহাজ) ভিড়তে পারে না। ছোট ছোট জাহাজে (লাইটার) গভীর সমুদ্রে পণ্য খালাস করে আনতে হয় ঘাটে। অন্য দিকে ফিডার জাহাজে করে কনটেইনার আনা-নেওয়া করায় পরিবহন ব্যয়ও বেশি হচ্ছে।

বাংলাদেশ সময়: ১৯৫৪ ঘণ্টা, এপ্রিল ১৬, ২০১৮

এআর/টিসি

 


bdnewseveryday.com © 2017 - 2018