BdNewsEveryDay.com
Friday, July 20, 2018

অ্যানিমেটেড সুপারহিরোরা এখনো বাকিদের টেক্কা দিতে পারে!

Friday, June 22, 2018 - 682 hours ago

বহু প্রতীক্ষিত ডিজনি/ পিক্সার সিক্যুয়েল ইনক্রেডিবল টু এখনও পর্যন্ত সেরা সুপারহিরো সিনেমা! কারণ লেদারের গ্লাভস এবং ডমিনো মাস্ক পরা অ্যানিমেটেড সুপারহিরো অ্যাডভেঞ্চার আজকাল লাইভ-অ্যাকশন কমিক-বুক মুভি এবং টিভি শো-এর যুগেও রয়ে গেছে।

২০০৪ সালে যখন ইনক্রেডিবল মুক্তি পায় তখন সবে মাত্র আধুনিক সুপারহিরো সিনেমার পথ চলা শুরু হয়েছে। স্পাইডার-ম্যান এবং এক্স-ম্যান ফ্র্যাঞ্চাইজিতে তখন একছত্র অধিকার যথাক্রমে সনি এবং ফক্সের কিন্তু সেই সময় মারভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্স যেন কেভিন ফেইজের স্বপ্নই ছিল। সুপারহিরো অ্যানিমেশন তখনও ছিল হেভিওয়েট, ব্যাটম্যানঃ দা অ্যানিমেটেড সিরিজ, জাস্টিস লিগ এবং নব্বই-এর দশকের শনিবার সকালের এক্স-ম্যান কার্টুন আজ অনেকের পছন্দের তালিকায় রয়ে গেছে।

আজকাল অবশ্য আরও অনেক সুপারহিরো দেখা যায়। কমিক বুক মুভিসে আজ মারভেল স্টুডিও নিজেদের জায়গা করে নিয়েছে। ডিসি এবং ওয়ারনার ভ্রাতৃদ্বয় তৈরি করেন অয়ান্ডার ওম্যান। আর ডেডপুল ফ্র্যাঞ্চাইজির সাফল্যের পর তো মনে হয় না ফক্স মুভিজ এক্স-ম্যানকে তাড়াতাড়ি বিদায় জানাবে।

এতো লাইভ-অ্যাকশন সুপারহিরোদের ভিড়ে কি ইনক্রেডিবল ফ্র্যাঞ্চাইজির এখনও গুরুত্ব আছে? উত্তর- হ্যাঁ, আছে। ইনক্রেডিবল টু ফেরত আসছে আমাদের পছন্দের ক্যারেক্টার কাস্ট, টপ-নচ ভয়েস ট্যালেন্ট এবং স্ন্যাজি ও স্ন্যাপি স্কোরের মিউজিক্যাল অনম্যাটোপিয়া নিয়ে।

প্রায় এক যুগ লেগে গেল যে সিনেমা তৈরি হতে, সাধারণ মানুষের কাছে কিন্তু তার আবেদন কমে যায়নি। এখানে যথেষ্ট পরিমাণে মজা রয়েছে, হাসি রয়েছে এবং অ্যাকশনও রয়েছে। ছোটরা যারা আগের পার্ট দেখেনি, তাদের চিন্তার কারণ নেই, সহজেই এই সিনেমার সঙ্গে তাল মেলাতে পারবে তোমারও।    

এই ফ্র্যাঞ্চাইজির পটভূমি পরিবার কেন্দ্রিক। এক টিনেজ মেয়ে, ভায়োলেট(কণ্ঠে সারা ভোয়েল), কারো সঙ্গেই কিছু করতে রাজি নয়। ড্যাশ(হাক মিলনার) সব সময় হাইপার থাকে যদি না তার সুপার স্পিড থাকে(এটাই তার কাজ)। ছোট ভাই জ্যাক-জ্যাকের(এলি ফুসিল) নিজের ইচ্ছেমতো সব কিছু করার ক্ষমতা আছে এবং মিস্টার ইনক্রেডিবল মাস্ক খুলে বেঞ্চে বসে থাকতে স্ট্রাগল করে যখন তার স্ত্রী লোকজনের নজরে থাকে।   স্যামুয়েল এল জ্যাক্সন ফ্রোজেন রূপে আবার ফিরে এসেছে। ফ্র্যাঞ্চাইজিতে নিক ফারির সময় থেকেই জ্যাক্সনের কন্ঠ ছাড়া অ্যাভেঞ্জারস অসম্পূর্ণ। ইনক্রেডিবল 2 ডিজনির ছত্রছায়ায়- তারা নিজেদের কাজ করেই ছাড়বে।

মাঝে মধ্যে অবাক লাগে আমরা এমন একটা দুনিয়ায় আছি যেখানে একাধিক বিভিন্ন ধরণের ফ্যান্টাস্টিক ফোর মুভি বর্তমান কিন্তু তবুও ইনক্রেডিবল ফ্র্যাঞ্চাইজি এতো বছর পরে ফিরে এসেও খুব সহজেই হলিউডকে নিজের ক্ষমতা প্রদর্শন করতে সক্ষম।

তবে ইনক্রেডিবল টু এর একটা জিনিসই খেয়াল রাখা প্রয়োজন, আসল ভিলেন স্ক্রিনস্লেভারের মুখোশের আড়ালে কে তা সহজেই অনুমান করা যাবে কিন্তু বাচ্চাদের এই সিনেমার এই বড় ঘটনাটা সামনে আনার আগে নিজের ঠিক করে নেওয়া উচিত কতটা স্কুবি স্ন্যাক দেওয়া প্রয়োজন।   অ্যানিমেশন যে এখনও সুপারহিরো এন্টারটেইনমেন্টের একটা বড় অংশ তা ইনক্রেডিবল 2 এর হাত ধরে পিক্সার/ সুপারহিরো ফ্র্যাঞ্চাইজি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে চলেছে। আসন্ন টিং টিটান্স গো! এবং সোনির অ্যানিমেটেড মাইলস মোরালস/ স্পাইডার-ম্যান মুভিজের এই সিনেমার কাছে কৃতজ্ঞ থাকা উচিত। ইনক্রেডিবল টু অবশ্যই দেখা উচিত এবং এর জন্য অপেক্ষা করাই যায়! এনডিটিভি


bdnewseveryday.com © 2017 - 2018