BdNewsEveryDay.com
Saturday, December 15, 2018

বিশ্বকাপ ম্যাচ চলাকালীন নারী সাংবাদিকের সঙ্গে অশালীন আচরণ!

Thursday, June 21, 2018 - 838 hours ago

গত সপ্তাহে একজন নারী সাংবাদিক লাইভ বিশ্বকাপ সম্প্রচারের সময় তিনি শুধুমাত্র “সিস্টেম এবং স্ট্রাটেজি” নিয়ে কথা বলতে চান জানানোর পর অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে তাঁকে জড়িয়ে ধরে চুমু খাওয়ার অভিযোগ উঠেছে বলে ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে জানা গেছে।  

জুলিয়েথ গঞ্জালেজ থেরান শুক্রবার সারান্সক থেকে স্প্যানিশ সংবাদ চ্যানেল ডাচ ওয়েলের জন্য সম্পূর্ণ রিপোর্ট সংগ্রহ করেন আর তারপর ক্ষোভ উগড়ে দেন।

তিনি বলেন, সন্মান করুন! আমরা এই ব্যবহার আশা করি না, ইনস্টাগ্রামে ঘটনার ভিডিও পোস্ট করে তিনি স্প্যানিশ ভাষায় লেখেন। আমরাও সমানভাবেই মূল্যবান এবং প্রফেশনাল। আমি ফুটবলের আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগ করে নিই, কিন্তু অ্যাফেকশন এবং হ্যারাসমেন্টের সীমানাও চিহ্নিত করি।'

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, সেই অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি আচমকা, কথা বলতে থাকা গঞ্জালেজ থেরানের কাছে দৌড়ে গিয়ে তাঁর স্তন ছুঁয়ে তাঁর গালে চুমু খেয়ে আবার দৌড়ে পালিয়ে যাচ্ছে।  

সম্প্রচারের জন্য আমি সেই স্থানে দুই ঘণ্টা আগে পৌঁছে প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম আর তখন সেখানে কোনও সমস্যাই ছিল না। কিন্তু যখনই আমরা লাইভ হলাম, সেই ভক্ত সেই সুযোগেরই অপব্যবহার করল। কিন্তু তারপর, আমি যখন দেখতে গেলাম সে আর সেখানে উপস্থিত আছে কি না, তখন আর তাকে খুঁজে পেলাম না।

কলোম্বিয়ার গঞ্জালেজ থেরান, ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল অনুসারে যিনি বর্তমানে বার্লিনে থাকেন, ইএসপিএন চ্যানেলে ফ্রিল্যান্সার হিসাবেও কাজ করেছেন এবং জার্মানি থেকে সকার রিপোর্ট সরবরাহ করছেন।

অনেকেরই ধারণা রিপোর্টার ছবিকে অতিরঞ্জিত করার জন্যই সেখানে উপস্থিত থাকেন, তিনি জানান, কিন্তু আমরা সিস্টেম এবং স্ট্রাটেজি সম্পর্কেই কথা বলতে চাই।

বিবিয়ানা স্টেইনহউস, বান্ডিস্লিগায় জার্মানির প্রথম নারী রেফারি এই ঘটনাকে 'অসমর্থিত' বলে জানিয়েছেন। আমি ওঁর অবস্থা বুঝতে পারছি, কারণ এই ধরণের আক্রমণ আগেও বহুবার ঘটেছে, স্টেইনহউস জানান। এই ধরনের মিসোজেনিস্ট ঘটনা ঘটেনা এসব বলে বোকামি করবেন না। গঞ্জালেজ থেরান জানান, তিনি শুধুমাত্র নিজের কাজটুকুই করে যেতে চান।  

আমার কাছে এটা একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা। অনেক ভক্তই আপনার প্রশংসা করবে এবং অনেকেই সন্মানীয় আচরণ করবে। কিন্তু এই ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এনডিটিভি


bdnewseveryday.com © 2017 - 2018