BdNewsEveryDay.com
Thursday, July 09, 2020

আওয়ামী লীগ সমাজকে পুরোপুরি দুষিত করে ফেলেছে: মির্জা ফখরুল

Sunday, December 01, 2019 - 838 hours ago

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক:বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ সমাজকে পুরোপুরি দূষিত করে ফেলেছে। সমাজে বিভক্তি এত ভয়ঙ্করভাবে ঢুকে গেছে,  এখন ভয়ে কেউ কথা বলতে চায় না। ১৯৭৫ সালে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল। তখন কেউ কেউ সমালোচনা করলে তাকে রক্ষীবাহিনী দিয়ে ধরে নিয়ে যাওয়া হতো। সেখানে নারী এবং শিশুরাও রক্ষা পেতো না। 

বাংলাদেশ এখন উন্নয়ন নয়, হত্যা, সন্ত্রাস ও নির্যাতনের রোল মডেল- এমন মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, সরকার বিচার বিভাগ, প্রশাসনসহ রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিচ্ছে।

আজ (রোববার) সকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন সেমিনার কক্ষে নারী অধিকার ফোরাম আয়োজিত আলোচনা সভায় মহাসচিব এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, এদেশে কেউ এখন নিরাপদ নয়। যারা একটু শারীরিকভাবে দুর্বল তারা বেশি অনিরাপদ। তিন বছরের শিশু থেকে শুরু করে ৯০ বছরের বৃদ্ধা অথবা তরুণ-যুবক, বাবা, ভাই, কেউ কিন্তু এখানে নিরাপদ নয়। বাংলাদেশ এখন একটি সন্ত্রাসের জনপদে পরিণত হয়েছে।

এ সমাজ ভেঙে নতুন সমাজ ও নতুন রাষ্ট্র নির্মাণ করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারকে সরাতে হলে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাস্তায় নামতে হবে। এটাই হচ্ছে একমাত্র পথ। আমাদের মধ্যে অনেকেই হতাশার কথা বলেন। হতাশাই শেষ কথা নয়। মনে রাখতে হবে অন্ধকারের পরেই আসবে নতুন ভোর।

এদিকে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, সংসদ ও বিচার বিভাগ সরকারের দখলে। তাই ৫ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার জামিন হবে কি-না, তা একমাত্র সরকারই জানে। আইনের প্রয়োগে নয়, খালেদা জিয়ার মুক্তি হচ্ছে না রাজনৈতিক কারণে। তার মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলন চলবে।

আজ (রোববার) দুপুরে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানোর পর, সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

মঈন খান বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা অনেক বড়াই করে বলি। তবে এটা বড় কথা নয়, মুখে কে কি বললো। এই সরকারের সময় সত্যিকার মুক্তিযোদ্ধাদের যখন অবমাননা হয়, তখন প্রশ্ন জাগে এই সরকার সত্যিকার অর্থে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের কি-না?

ডিএস/এএইচ

 


bdnewseveryday.com © 2017 - 2018