BdNewsEveryDay.com
Thursday, May 28, 2020

পূর্ত মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতির ১০ উৎস চিহ্নিত করেছে দুদক

Wednesday, October 09, 2019 - 838 hours ago

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন অধিদপ্তরে দুর্নীতির ১০টি উৎস চিহ্নিত করেছে। এ উৎসগুলো বন্ধ করে দুর্নীতি দমনে ২০টি সুপারিশ দিয়েছে দুদক।

আজ বুধবার এ বিষয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিমের কাছে হস্তান্তর করেন দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান।

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতির উৎসগুলোর বিষয়ে দুদক কমিশনার সাংবাদিকদের বলেন, টেন্ডার প্রক্রিয়ার বিভিন্ন স্তরে দুর্নীতি, যথাযথভাবে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করা, অপছন্দের ঠিকাদারকে নন-রেসপন্সিভ করা, অস্বাভাবিক মূল্যে প্রাক্কলন তৈরি, ছোট ছোট প্যাকেজে প্রকল্প প্রণয়ন, টেন্ডারের শর্তানুসারে কাজ বাস্তবায়ন না করা।

দুদক কমিশনার বলেন, নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার, প্রকল্প প্রণয়ন, তদারকি, বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কাজে ধীরগতি, প্রয়োজনের তুলনায় বরাদ্দ কম, অনাবশ্যক প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি, স্থাপত্য ও কাঠামোগত নকশা চূড়ান্তে বিলম্ব, প্রত্যাশী সংস্থার প্রয়োজন মতো জরুরি ভিত্তিতে কার্যসম্পাদন না করা, সেবা প্রদানের বিভিন্ন স্তরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অসহযোগিতা, সময়মতো ঠিকাদারদের বিল পরিশোধ না করা এবং বরাদ্দ থাকার পরও ঠিকাদারদের আংশিক বিল পরিশোধ করা। এগুলো রোধ করে দুর্নীতি নির্মূল করা সম্ভব বলে মনে করেন দুদক কমিশনার।

দুদক কমিশনার সাংবাদিকদের আরো বলেন, ‘দুদক ২৫টি প্রতিষ্ঠানকে টার্গেট করে টিম গঠন করেছে। একেকটি মন্ত্রণালয় সম্পর্কে একেকটি টিম কাজ করছে। টিমগুলো ওইসব প্রতিষ্ঠানের দুর্বলতা-সক্ষমতা, কাজের গাফিলতি, দুর্নীতিপ্রবণ যে জায়গাগুলো, কোন কোন ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করলে দুর্নীতি রোধ করা যায় সেই বিষয়গুলো পরীক্ষা করে একটি প্রতিবেদন তৈরি করছে।

দুদকের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, দুদকের এই রিপোর্টকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিব। প্রয়োজন হলে এর তদন্তে কমিটি গঠন করব।

মন্ত্রী  বলেন, বাংলাদেশে এই প্রথম এফ আর টাওয়ারের আগুনের ঘটনা তদন্তের পর ৯৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এটা এজন্য করেছি, যে আমি নিজে দুর্নীতি করব না, কাউকে করতেও দেব না।


bdnewseveryday.com © 2017 - 2018