BdNewsEveryDay.com
Wednesday, June 03, 2020

আবরারকে সবচেয়ে বেশি মারধর করেছে অনিক সরকার

Tuesday, October 08, 2019 - 838 hours ago

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হ’ত্যার ঘটনায় ছাত্রলীগের গঠিত তদন্ত কমিটি জানিয়েছে, শিবির সন্দেহেই পিটিয়ে হ’ত্যা করা হয় আবরারকে। এতে ছাত্রলীগের সকাল, মনির, তানভীর, জেমি, তামিম, সাদাত, রাফিদ, তোহা, অনিকসহ ১০-১২ নেতাকর্মীর জড়িত থাকার খবর পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মারধর করেছে মদ্যপ অনিক। রবিবার (৬ অক্টোবর) রাত ৮টা থেকে ১২টা পর্যন্ত ফাহাদের ওপর চলে নির্যাতন।

সোমবার (৭ অক্টোবর) রাতে সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এ হত্যায় সংশ্লিষ্টতা পাওয়া ১১ জনকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করেছে ছাত্রলীগ। বহিষ্কৃতরা হলেন- বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল, সহ-সভাপতি মুহতাসিম ফুয়াদ, সাংগঠিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার, ক্রীড়া সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম জিওন, সাহিত্য সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, উপ-সমাজ সেবা সম্পাদক ইফতি মোশাররফ সকাল, উপ-দপ্তর সম্পাদক মুজতবা রাফিদ, সদস্য মুনতাসির আল জেমি, এহেতসামুল রাব্বি তানিম ও মুজাহিদুর রহমান।

রবিবার (৬ অক্টোবর) রাতে আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হ’ত্যা করা হয়। সোমবার (৭ অক্টোবর) ভোরে শের-ই-বাংলা হলের প্রথম ও দ্বিতীয় তলার সিঁড়ির মধ্যবর্তী জায়গায় আবরারের নিথর দেহ পাওয়া যায়। তার শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন ছিল।

আবরার ফাহাদ বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের (ইইই) বিভাগের লেভেল-২ এর টার্ম ১ এর ছাত্র ছিলেন। তিনি শের-ই-বাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন।


bdnewseveryday.com © 2017 - 2018