BdNewsEveryDay.com
Saturday, August 17, 2019

বই পড়ার নেশা চলে গেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে : তথ্যমন্ত্রী

Monday, February 11, 2019 - 838 hours ago

বই পড়ার নেশা চলে গেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে : তথ্যমন্ত্রী বাঙালীরা জন্মগতভাবে মেধাবী। দেশে এবং দেশের বাইরে আমরা মেধার সাক্ষর রেখে চলেছি। মেধা বিকাশের অন্যতম উৎস বই পড়া। একসময় আমাদের প্রজন্ম বই নিয়ে ব্যস্ত থাকতো। এখন আমাদের বই পড়ার নেশা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলে গেছে। এটি একটি বিরূপ প্রভাব ফেলেছে বলে মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী ড.হাছান মাহমুদ এমপি। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আয়োজনে অমর একুশে বই মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন। চট্টগ্রাম সিটি মেয়র এবং মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান যুগ তথ্য প্রযুক্তির যুগ। বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে আমাদেরকে তথ্য প্রযুক্তির জ্ঞানার্জনের মধ্য দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে হবে।  প্রিয় অভিভাবকদের আমাদের বর্তমান প্রজন্মের দায়িত্ব নিতে হবে। আপনারা আপনাদের সন্তানদের একটি স্মার্টফোন কিনে না দিয়ে বই কিনে দিন। আপনার পরিবারের সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাষ্ট্র, সমাজ এবং অনৈতিক কাজে ব্যস্ত কিনা তদারকি করুন। বর্তমান সরকারের অবদান তুলে ধরে তথ্য মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার একটি সৃষ্টিশীল জাতি গঠনে কাজ করে যাচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানী থেকে শুরু করে গ্রাম পর্যন্ত শিশু-কিশোরদের বই পড়ায় উদ্বুদ্ধ করতে বিভিন্ন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সকালের একটি সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বেগম খালেদার মুক্তির জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আহব্বান  জানিয়েছেন। তিনি বেগম জিয়ার মুক্তি চেয়ে দেশের আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছেন। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় বিএনপি প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা করতে চেয়েছিল। সে সময়ে ২৪ জন নিহত, ৫০০ জন আহত হয়েছিলো। আপনাদের অনুরোধ জানাবো আপনারা আইনি লড়াই করুন। তিনি আরো বলেন ইউরোপের বাইরে যিনি প্রথম নোবেল পান তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,অর্থনীতিতে নোবেল পাওয়া অমর্ত্য সেনও বাংলাদেশের। বাংলা সাহিত্য পৃথিবীর অন্যান্য সাহিত্যের মতো সমৃদ্ধ। বাংলাদেশে গত দশবছরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিপ্লব ঘটে গেছে। ৮ কোটিরও বেশি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার, স্থানীয় পত্রিকাসহ প্রায় দুই হাজার পত্রিকা আছে।৩০ টিরও বেশি টিভি চ্যানেল আছে।আরো কয়েকটা আসার অপেক্ষায় আছে। চট্টগ্রাম সৃজনশীল প্রকাশক পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী শামসুদ্দোহা, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া, কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক, কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, প্রকাশক শাহ আলম নিপু, কাউন্সিলর আবিদা আজাদ প্রমুখ। মেলার আয়োজকরা জানান, এবার ৮০ হাজার ৩০০ বর্গফুটজুড়ে একুশে বইমেলায় ঢাকা ও চট্টগ্রামের প্রকাশকদের ১১০টি স্টল থাকবে। ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে এ মেলা। প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।


bdnewseveryday.com © 2017 - 2018