BdNewsEveryDay.com
Wednesday, August 15, 2018

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে হলের ডাইনিং বন্ধ

Saturday, May 19, 2018 - 838 hours ago

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) গ্রীষ্মকালীন ও মাহে রমজানের দীর্ঘ ৩৭ দিনের ছুটিতে আবাসিক হলগুলো খোলা রয়েছে। তবে হল খোলা থাকলেও বন্ধ রয়েছে ডাইনিং। ফলে খাবার খেতে ক্যান্টিন বা ক্যাম্পাসের বাইরে যেতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। তাছাড়া এসব খাবারের খরচ তুলনামূলক বেশিও। এতে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে ক্যাম্পাসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের। এদিকে হল কর্তৃপক্ষ বলছে, হলের ডাইনিং পরিচালনার জন্য হলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা অপ্রতুল থাকায় হল বন্ধ রাখা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা লিখিতভাবে অভিযোগ করলে ডাইনিং খোঁলা রাখার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হবে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ১৭ টি আবাসিক হলেরেই ডাইনিং বন্ধ রয়েছে। হলের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের আশেপাশের বাজারের হোটেল গুলোতে রমজানের ইফতার ও সেহরি খাচ্ছে। রমজান উপলক্ষ্যে হোটেল গুলোতে খাবারের দাম বেড়েছে। এমনকি বেশি টাকা দিয়েও মানসম্মত খাবার পাচ্ছেনা না তারা। হল সুত্রে জানা গেছে, ডাইনিং খাবার খাওয়ার জন্য তিনদিনের টাকা অগ্রিম দেয়াসহ প্রতিদিন কমপক্ষে একশ জন শিক্ষার্থী ডাইনিংয়ে খাবার খেতে হবে। না হলে ডাইনিং চালু রাখবেনা হল কর্তৃপক্ষ। যদি কোন শিক্ষার্থী কোন কারণে খাবার খেতে না পারে তবে তার টাকা ফেরত দেওয়া হবে না এমন শর্তে ডাইনিংগুলো খোলা রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। শিক্ষার্থীরা এ সিদ্ধান্ত না মানায় হলের ডাইনিং বন্ধ রাখা হয়েছে। এদিকে হল প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তে হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আবাসিক হলের শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব আব্দুল লতিফ হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘ডাইনিং বন্ধ থাকায় আমরা ঠিকমতো রমজানের সেহেরী খেতে পারছিনা। ক্যাম্পাসের বাইরে গেলেও অনেক দামে খাবার খেতে হচ্ছে। বেশি দাম দিয়েও স্বাস্থ্য সম্মত খাবার পাচ্ছিনা। রমজানের হল কর্তৃপক্ষের এমন সিদ্ধান্ত মেনে নেয়া যায় না’। এদিকে মেয়েদের হলগুলোর ডাইনিং বন্ধ থাকায় তাদেরও ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। তাপসী রাবেয়া হলের আবাসিক শিক্ষার্থী তাবাসসুম জান্নাত বলেন,‘ দিনের অধিকাংশ সময় এখন রান্না করতেই ব্যয় হয়ে যাচ্ছে। এতে পড়া লেখা বিঘ্নিত হচ্ছে। যদি ডাইনিং খোলা থাকত তাহলে এমন দূর্ভোগ পড়তে হতো না। শিক্ষার্থীদের দূর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনা করে হলের ডাইনিং খোলা রাখা উচিৎ’। এবিষয়ে হল প্রাধ্যক্ষের আহ্বায়ক অধ্যাপক রুবাইয়াত ইয়াসমিন বলেন, ‘রমজানে এমনিতেই হলের শিক্ষার্থীরা কম থাকে। কেউ রান্না করে, আবার কেউ ক্যান্টিনে খায়। তাই পর্যাপ্ত শিক্ষার্থী না থাকায় ডাইনিং চালানো সম্ভব হচ্ছে না।

 


bdnewseveryday.com © 2017 - 2018