BdNewsEveryDay.com
Sunday, July 22, 2018

খুলনায় খালেকের জয়

Tuesday, May 15, 2018 - 838 hours ago

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক:

বিভিন্ন অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা আর কেন্দ্র দখলের অভিযোগের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হওয়া খুলনা সিটি নির্বাচনে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেক।

মঙ্গলবার রাতে রিটার্নিং কর্মকর্তা ইউনুস আলী স্থগিত ৩টি কেন্দ্রের ফল ছাড়া বাকি ২৮৬টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত ফলাফলে ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯০২টি ভোট পেয়ে জয় নিশ্চিত করেন তালুকদার খালেক। অন্যদিকে বিএনপি প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু ১ লাখ ৮ হাজার ৯৫৬টি ভোট পান।

এর আগে মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষে গণনা শুরু হয়। প্রথমেই ইলেকট্রনিক ভোটিং ব্যবস্থপনায় নেয়া কেন্দ্রের একটিতে আওয়ামী লীগ অন্যটি বিএনপি জয় পায়। পরে ঘোষিত ফলে আওয়ামী লীগ প্রার্থী এগিয়ে যেতে থাকেন।

কমিশন সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনে ৫০ শতাংশের মতো ভোটার নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

এদিকে স্থগিত কেন্দ্রগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় কেন্দ্র খুলনার সরকারি ইকবাল নগর বিদ্যালয়ে ভোটারের সংখ্যা ২ হাজার ১০২।

সকালে ভোট শুরুর প্রথমদিকেই নগরীর ২২ নং ওয়ার্ডের পাইওনিয়ার মাধ্যমিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে ভোটধিকার প্রয়োগ করেন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী তালুকদার খালেক।  ভোট দিয়ে কেন্দ্রের বাইরে অপেক্ষমান সাংবাদিকদের তালুকদার আবদুল খালেক বলেন, জনগণ যে রায় দিবে তাই মেনে নেব।

তবে ধানের শীষ প্রতীকের বিএনপি প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু ২৭ নং ওয়ার্ডের রহিমা খাতুন সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেয়ার পর অভিযোগ করেন, বেশ কয়েকটি কেন্দ্র থেকে তার পোলিং এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে। অনেক কেন্দ্রে এজেন্টদের মারধরেরও অভিযোগ করেন তিনি।

পরে সিটি নির্বাচন নিয়ে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়েজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রহুল কবীর রিজভী অভিযোগ করেন, ক্ষমতাসীন দল ৫০ শতাংশ ভোটকেন্দ্রে বিভিন্ন অনিয়ম করেছে।

এবারের খুলনা সিটি নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় আওয়ামী লীগ প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেকের সাথে বিএনপি প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর। এছাড়া আরো তিনজন প্রার্থী মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তারা হলেন জাতীয় পার্টির শফিকুর রহমান মুশফিক, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা মোজাম্মেল হক ও সিপিবি’র মিজানুর রহমান বাবু।

সাধারণ ও সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর প্রার্থীসহ মোট ১৮৬ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। সিটিতে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯৩ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ২৮৯টি। 

উল্লেখ্য, ২০০৮ সাল থেকে পাঁচ বছর মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছিলেন তালুকদার খালেক। এরপর ২০১৩ সালে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মনিরুজ্জামান মনির কাছে হেরে যান তিনি।-ইউএনবি


bdnewseveryday.com © 2017 - 2018