BdNewsEveryDay.com
Monday, December 10, 2018

রোহিঙ্গাদের মাঝে আমালের ফলের চারা ও সবজির বীজ বিতরণ

Friday, October 12, 2018 - 838 hours ago

বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা পাহাড়ে আশ্রয় নেওয়ার কারণে পাহাড়ের বন উজাড় হয়েছে। এতে বিনিষ্ট হয়েছে পরিবেশের ভারসাম্য। আর এ কারণেই আবারও রোহিঙ্গা ক্যাম্পের লোকজনের মাঝে বিভিন্ন প্রকার ফলের চারা ও সবজির বীজ বিতরণ করেছে আমাল নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তারা এ কর্মসূচি পালন করেন। বিতরণকৃত ফলের চারার মধ্যে ছিল পেয়ারা, লেবু, জলপাই, আকাশমণি। সবজির বীজের মধ্য ছিল কুমড়া, লাউ ঢেড়স, লাল শাক, পুঁইশাক প্রভৃতি।

উদ্যোগটি সম্পর্কে জানতে চাইলে আমালের পরিচালক ইশরাত করিম ইভ বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সাসটেইনেবল প্রজেক্ট করার লক্ষ্যেই আমরা এ উদ্যোগটি গ্রহণ করছি। তিনি আরো বলেন, বেঁচে থাকার জন্য খাবারের পাশাপাশি অক্সিজেনের প্রাপ্তির দিকেও নজর দেওয়া জরুরি, আমরা সেই বিষয়গুলোর কথা ভেবেছি। এ ছাড়াও ক্যাম্পের বাড়িগুলো একটু উচুঁ জায়গায় অবস্থিত এ কারণে ‘মাটির ক্ষয় ও বন্যা প্রতিরোধে গাছগুলো ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবে।

এ প্রসঙ্গে আমালের চারা রোপণ কর্মসূচির প্রজেক্ট ম্যানেজার শোহয়েব রাতিব বলেন, বৃক্ষহীন পরিবেশ জীবন ও জীবিকা নির্বাহের জন্য হুমকিস্বরূপ। তাই পরিবেশের ভারসাম্যতা রক্ষা ও বৃক্ষের ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। আমালের অ্যাকাউন্টস ও লজিস্টিক হেড নাহিদ ইসলাম বলেন, ফলের চারা বিতরণের পাশাপাশি আমরা সবজির বীজ বিতরণ করেছি। ক্যাম্পের বাড়িঘরের পাশেই লোকজন সবজির বীজগুলো বপণের মাধ্যমে দ্রুত ফলন পাবে এবং তাদেঁর পুষ্টির চাহিদা মেটাতে পারবে। 

সংগঠনটির জেনারেল সেক্রেটারি ইফরিত করিম বলেন, অনেক সরকারি বেসরকারি সংস্থায় রোহিঙ্গাদের সাহায্য করলেও বৃক্ষরোপণের মতো কর্মসূচি তারাই প্রথম গ্রহণ করেছেন। এর মাধ্যমে রোহিঙ্গা লোকজন ও পরিবেশ উভয়েই উপকৃত হচ্ছে। ইতিমধ্যে লোকজন এ থেকে উপকার পাওয়া শুরু করেছে। এ ছাড়াও গাছগুলো বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিনিষ্ট হয়ে যাওয়া পরিবেশ দ্রুতই ফেরত আসবে। এ ধরনের কাজে তিনি অন্যদেরও এগিয়ে আসার আহবান জানান। 


bdnewseveryday.com © 2017 - 2018