BdNewsEveryDay.com
Saturday, February 16, 2019

অন্ধ্র প্রদেশে তিতলির আঘাতে ৮ জনের প্রাণহানি

Thursday, October 11, 2018 - 838 hours ago

ভারতের অন্ধ্র প্রদেশে ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’-এর আঘাতে অন্তত আটজনের প্রাণহানি হয়েছে। আজ বুধবার সন্ধ্যায় ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যম এ কথা জানায়। অন্ধ্র প্রদেশের ভিজানগরগ্রাম ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর হরি জওহরলালের বরাত দিয়ে বিকেল পাঁচটার দিকে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, তিতলির আঘাতে তিন জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। এক হাজার একর কৃষি জমির ফসল ও তিন হাজার একর উদ্ভিদের বাগান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর আগে সকালে অন্ধ্র প্রদেশ ও ওডিশা রাজ্যের সমুদ্র উপকূলে আছড়ে পড়ে। তিতলির প্রভাবে ওডিশার গোপালপুর-বেরহামপুর সড়ক বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ভেঙে পড়েছে বহু বাড়িঘর, গাছপালা, বিদ্যুতের খুঁটিও। সমুদ্র হয়েছে উত্তাল। তিতলির প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গে শুরু হয় বৃষ্টি। সকালে অন্ধ্র প্রদেশের শ্রীকাকুলাম ও ওডিশার গোপালপুরে তিতলি আছড়ে পড়ার সময় ঘণ্টায় এর গতিবেগ ছিল ১২৬ কিলোমিটার। এরই মধ্যে ওডিশা সরকার উপকূলবর্তী এলাকার তিন লাখ মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়েছে। ওডিশা সরকার আজ বৃহস্পতিবার ও কাল শুক্রবার দুই দিনের জন্য স্থানীয় সব স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা করেছে।

এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বুধবার দুপুর থেকে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। কলকাতা শহর ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় ঝোড়ো বাতাস রয়েছে।

এ দিকে বেশ তর্জন-গর্জন করে বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগরের উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছিল ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’। বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১৫০ কিলোমিটার। এটি বিস্তৃত ছিল ভারতের ওডিশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশে।

আবহাওয়াবিদের ধারণা ছিল, এটি ভারতের তিনটি রাজ্যে আঘাত হেনে ছোবল মারবে বাংলাদেশের খুলনা, সাতক্ষীরা উপকূলে। তিতলির প্রভাবে কয়েক দিন ধরে বৃষ্টিও ঝরছিল। সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৪ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখানো নির্দেশ দিয়েছিল আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে ওডিশা ও অন্ধ্রপ্রদেশের তীব্র বেগে আঘাত হানার পর দুর্বল হতে থাকে তিতলি। এটি আরও উত্তর উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আরও দুর্বল হতে পারে। তিতলি দুর্বল হয়ে যাওয়ার কারণে দুপুর থেকে চট্টগ্রাম, মোংলা, পায়রা সমুদ্রবন্দর ও কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে


bdnewseveryday.com © 2017 - 2018